সিলেট এবং ঢাকার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম পর্ব। যেখানে দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত ঢাকা মুখোমুখি হয় ফরচুন বরিশালের। এই ম্যাচে ঢাকাকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বরিশাল।

জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ছয় উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে ফরচুন বরিশাল। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৫৯ রানের বেশি করতে পারেনি ঢাকা। বরিশালের জয় ২৭ রানে।

ম্যাচটিতে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

এই জয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে টপকে তিনে উঠে এসেছে তামিমের দল। ৯ ম্যাচে দুদলেরই সমান ১০ পয়েন্ট হলেও নেট রানরেটে এখন চট্টগ্রামের চেয়ে এগিয়ে বরিশাল।

প্রথম ৪ ম্যাচে ৩টি হারের পর সর্বশেষ ৪ ম্যাচে ৩টি জিতল তারা। অন্যদিকে বিপিএলের নতুন দল ঢাকার ভাগ্য বদলাচ্ছেই না। টানা হারের রেকর্ড আগেই গড়েছে, এবার সে ধারাই লম্বা হলো আরেকটু। টানা ৯টি ম্যাচ হারা ঢাকা এবার চূড়ান্তভাবেই শিরোপা লড়াই থেকে বাদ পড়ল।

টসে জিতে ব্যাটিং নেওয়া বরিশালের বড় সংগ্রহে মূল অবদান তামিমের। যদিও তাঁর সঙ্গে ঠিক তাল মেলাতে পারেননি অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা। নবম ওভারে আলাউদ্দিন বাবুর শিকারে পরিণত হন তামিমের ওপেনিং সঙ্গী আহমেদ শেহজাদ।

শেষ ওভারে শরীফুল ইসলামের ওপর চড়াও হন সাইফউদ্দিন, শেষ ৫ বলে তোলেন ২২ রান। তাঁর ৬ বলে ২৩ রানের অপরাজিত ক্যামিও ইনিংসেই বরিশাল পেরোয় ১৮০। এ মৌসুমে বরিশালের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর, এবার এ নিয়ে পাঁচ বার ১৮০ পেরোল তারা। যদিও একবারও ১৯০ ছুঁতে পারেনি।

এদিকে, ঢাকা ২ ওভার শেষ না হতেই টপ অর্ডারের তিন জন মোহাম্মদ নাঈম, অ্যাডাম রসিংটন ও সাইফ হাসানকে হারায় তারা। এক প্রান্তে রস টিকে ছিলেন, তবে স্বীকৃত ব্যাটসম্যানরা কেউই সঙ্গ দিতে পারেননি তাঁকে। অষ্টম ও নবম উইকেট জুটিতে তাসকিন ও আরাফাত সানিকে নিয়ে রস তোলেন ৪৩ বলে ৭৯ রান।

পরে সাইফউদ্দিন, রসিংটন-সাইফের পর নিয়েছেন তাসকিনের উইকেটও। ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন আরেক পেসার খালেদ আহমেদও। বোলার সৌম্যর দিনটি অবশ্য ভালো যায়নি মোটেও, ৩ ওভারেই দিয়ে ফেলেছেন ৫৪ রান।